দেশসেরা গুণী শিক্ষক সম্মাননা, প্রথম ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ড. বাহানুর
ক্যাম্পাস মেইল · 2026-10-05 13:18:38 · রিসালাত আলিফ
দেশসেরা গুণী শিক্ষক হিসেবে সরকারি সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানসহ সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য। একই সঙ্গে তিনি নবগঠিত ‘স্কুল অব ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি’র ডিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের (বিভিসি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এই প্রথম কোনো ভেটেরিনারিয়ান, শিক্ষক হিসেবে এ সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।
অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উপাদান হলো শিক্ষার্থী, শিক্ষা, শিক্ষক ও গবেষণা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নত হয়। বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির বিকল্প নেই। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের যথাযথ দিকনির্দেশনা দিয়ে সুনাগরিক ও বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তোলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণ নয়, সেই জ্ঞানকে প্রায়োগিক রূপ দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে কৃষিবিষয়ক জ্ঞান ও প্রযুক্তি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।’
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এবার দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১০১ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মানিত করেছে সরকার। সম্মাননার অংশ হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়েছে।
জাতি গঠন, শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চায় শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এ সম্মাননার আয়োজন করা হয়। আগে ১২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হলেও এবার এর পরিধি বাড়িয়ে ১০১ জন শিক্ষককে সম্মানিত করা হয়েছে।