ময়মনসিংহ মেইল

জামালপুরে সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তি চরমে

বৃহত্তর ময়মনসিংহ · 2026-09-18 09:14:53 · স্টাফ রিপোর্টার

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সড়ক সংস্কারকাজ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। সড়কের শক্ত ভিত্তি প্রস্তুত করার পর কাজ থমকে যাওয়ায় এবং সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা।

​স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ‘গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় ভাটারা বাজার আরএইচডি-রায়গঞ্জ সিসি সড়কের মেরামত কাজ শুরু হয়। ২ কোটি ৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স রমেন্ট বিপ্লব এন্টারপ্রাইজ’।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ১১ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করার পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে পথচলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও মালবাহী যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন সরকার শিমুল ও লুৎফর রহমান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারও মানুষ যাতায়াত করেন। সংস্কারে বিলম্বের কারণে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

​ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ সাত মাস রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দে চরম ভোগান্তি তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’

দীর্ঘদিন কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে পথচলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও মালবাহী যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মহিউদ্দিন সরকার শিমুল ও লুৎফর রহমান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারও মানুষ যাতায়াত করেন। সংস্কারে বিলম্বের কারণে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

​ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ সাত মাস রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দে চরম ভোগান্তি তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’

কাজ বন্ধের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানায়, পাথর সংকট এবং বিটুমিনের অতিরিক্ত দামের কারণে কাজ সাময়িক বন্ধ ছিল। তবে লোকসান হলেও চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।

​এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘দ্রুত কাজ শেষের তাগিদ দিয়ে এলজিইডির ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও জামালপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুতই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত