বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক
বৃহত্তর ময়মনসিংহ · 2026-10-08 08:50:04 · স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৬ জন শিক্ষক ও গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের প্রস্তুত করা ২০২৬ সালের হালনাগাদ তালিকায় তাঁদের নাম উঠে এসেছে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এ তালিকায় বাংলাদেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৪৭ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হিসাবে ১৬ জন গবেষক নিয়ে দেশের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। তালিকায় ২২ জন গবেষক নিয়ে প্রথম অবস্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০ জন গবেষক নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)।২০২৬ সালের এ তালিকা মূলত ২০২৫ সালে গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতি বা সাইটেশনের প্রভাব বিবেচনায় প্রস্তুত করা হয়েছে। একক বছরের (সিঙ্গেল-ইয়ার) গবেষণা-প্রভাব মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাকৃবির ১৬ জন গবেষক এতে স্থান পেয়েছেন।তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকেরা হলেন তালিকায় স্থান পাওয়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা হলেন, ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. এহসানুল কবীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নান, অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ফজলে রোহানী, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম লুৎফুল কবির।এছাড়া তালিকায় আরো স্থান পেয়েছেন উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম গোলাম দস্তগীর, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তাহজিব-উল-আরিফ, অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামান খান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মজিদ, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. টুম্পা রানী সরকার, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির, সীড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এবং প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।উল্লেখ্য, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জন পি এ আয়োনিডিসের নেতৃত্বে প্রস্তুত করা আন্তর্জাতিক এ তথ্যভান্ডারে গবেষকদের কর্মজীবনের সামগ্রিক গবেষণা-প্রভাব এবং নির্দিষ্ট এক বছরের গবেষণা-প্রভাব পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা হয়। গত বছরের তুলনায় এবার বাকৃবির গবেষকের সংখ্যা চারজন বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৬ গবেষকের অন্তর্ভুক্তি বাকৃবির গবেষণা কার্যক্রমের বৈশ্বিক দৃশ্যমানতার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।