ইতিহাসে আজ - ১৩ অক্টোবর
প্রতিদিনের ঘটনাই ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়— কোনোটি গৌরবের, কোনোটি শোকের, আবার কোনোটি মানবসভ্যতার শিক্ষার। আজ ১৩ অক্টোবর ২০২৫, সোমবার— সময়ের ধারায় এই দিনটি নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। আসুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা, জন্ম-মৃত্যু এবং স্মরণীয় মুহূর্তগুলো।
উল্লেখযোগ্য ঘটনা
খ্রিষ্টপূর্ব ৫৩৯ — ইরানে হাখামানেশীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সাইরাস ঐতিহাসিক বাবেল শহর দখল করেন।
৬৩৫ — ইসলামী ইতিহাসে বিখ্যাত সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক জয় করেন।
১৫৫৬ — মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল শুরু হয়।
১৭৯২ — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।
১৮৮৪ — গ্রিনউইচ-কে সার্বজনীন মধ্যরেখা হিসেবে গৃহীত ঘোষণা করা হয়।
১৯২৩ — আঙ্কারাকে তুরস্কের নতুন রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
১৯৪৩ — ইতালি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৬৬ — ছয় দফা আন্দোলনের সময় শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের হুমকির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
১৯৮৯ — হংকংয়ে ২৬.৪ মিটার উচ্চতার বিশ্বের বৃহত্তম ব্রোঞ্জ বুদ্ধমূর্তি থিয়েনথান নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
২০০৬ — শান্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল পুরস্কার লাভ করে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবময় অধ্যায়।
২০২০ — বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ” জারি করা হয়।
২০২১ — কুমিল্লার নানুয়ারদীঘি পূজামণ্ডপে কোরআন পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে কয়েক জেলায় সাম্প্রদায়িক হামলার সূত্রপাত হয়।
জন্মদিনে স্মরণ
আজ জন্মগ্রহণ করেছেন—
১৮৯০: মার্কিন ঔপন্যাসিক কনরাড রিখটার।
১৯২৫: যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার।
১৯৪৮: পাকিস্তানের কিংবদন্তি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলি খান।
১৯৯৪: বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা লিটন দাস।
প্রয়াণ
১৯১১: ভারত হিতৈষী সমাজকর্মী ও স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতা।
১৯৮৭: কিংবদন্তি ভারতীয় সংগীতশিল্পী কিশোর কুমার।
২০০২: তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ও সংগ্রামী নারী ইলা মিত্র।
২০১৬: থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ।
২০২০: একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক রশীদ হায়দার।
আজকের উপলব্ধি
ইতিহাস শুধু অতীত নয়— এটি ভবিষ্যতের দিকনির্দেশকও। আজকের ঘটনাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পরিবর্তন, প্রতিবাদ, সৃজনশীলতা ও ত্যাগ—এই চারটি শব্দই মানবসভ্যতার চিরন্তন ভিত্তি।