ইচ্ছে করছে লজ্জায় নিজেকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলি: প্রেস সচিব
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে প্রথম
আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর)
বিকেল ২টা ৪২ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুল আলম জানান, হামলার
রাতে তিনি প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারে কর্মরত সাংবাদিক বন্ধুদের কাছ থেকে আতঙ্কিত
ও অশ্রুসিক্ত ফোন কল পেয়েছিলেন। তিনি লেখেন, তাদের পাশে দাঁড়াতে না পারায় তিনি গভীরভাবে
দুঃখিত। সাংবাদিকদের সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য ফোন করলেও সহায়তা সময়মতো পৌঁছায়নি
বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে প্রেস সচিব আরও
বলেন, দ্য ডেইলি স্টার ভবনের ভেতরে আটকে পড়া সাংবাদিকদের উদ্ধার শেষে ভোর ৫টার দিকে
তিনি ঘুমাতে যান। তবে ততক্ষণে দুটি সংবাদমাধ্যম দেশীয় ইতিহাসে গণমাধ্যমের ওপর সংঘটিত
অন্যতম ভয়াবহ হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে শফিকুল
আলম লেখেন, তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা তার জানা নেই। একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে
তিনি শুধু বলতে পারেন—তিনি দুঃখিত; লজ্জায় তিনি ‘মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন’ বলেও পোস্টে
উল্লেখ করেন।
এদিকে প্রথম আলো ও দ্য
ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি জানান, সরকার সংবাদমাধ্যম দুটির
পাশে আছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠান ও সংবাদকর্মীদের ওপর এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও
ন্যক্কারজনক হামলা তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে এবং এই দুঃসময়ে সরকার তাদের পাশে থাকবে।