পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বনের জমিতে বাউন্ডারি শহীদের সাম্রাজ্য’ শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। উক্ত সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মনগড়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
প্রথমত, সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে আমি বনভূমি দখল করে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, রিসোর্ট ও ফ্যাক্টরি গড়ে তুলেছি। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার নামে বা আমার পরিবারের নামে দখলকৃত কোনো বনভূমি নেই। যেসব জমিতে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তা পৈত্রিক এবং বৈধভাবে ক্রয়কৃত। এসবের কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে বিদ্যমান।
দ্বিতীয়ত, আমাকে জড়িয়ে ঝুট ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মারধর ও ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। এগুলোও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্র ছাড়া এগুলোর কোনো সত্যতা নেই। আমি একজন আইন মেনে চলা ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক কর্মী। স্থানীয়ভাবে আমি সবসময় সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের চেষ্টা করেছি, কখনো অপরাধমূলক কাজে নয়।
তৃতীয়ত, প্রতিবেদনে আমার রাজনৈতিক পরিচিতি বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বলা হয়েছে আমি অর্থের জোরে রাজনীতিতে টিকে আছি। এ অভিযোগও অসত্য। আমি ব্যক্তিস্বার্থে নয়, বরং গণমানুষের স্বার্থে রাজনীতিতে যুক্ত আছি।
আমি সবসময় ভালুকাকে শিল্পসমৃদ্ধ করতে কাজ করেছি। এর ফলে এ অঞ্চলের বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে। এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে।
এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মানবজমিন কর্তৃপক্ষের কাছে সংবাদটি প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
শহীদুল ইসলাম শহীদ
ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক
যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
ভালুকা উপজেলা শাখা