পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ চলার মধ্যেই শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী বছরের শুরুতেই দেশটিতে সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হলো।
গত আগস্টে নৈতিকতা লঙ্ঘনের
অভিযোগে পেতাংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হন অনুতিন চার্নভিরাকুল। তিনি রক্ষণশীল দল ভুমজাইথাই পার্টির নেতা। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় তিন মাসের মাথায় পার্লামেন্ট
ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
এর আগে ধারণা করা হচ্ছিল,
বড়দিনের পর পার্লামেন্ট ভাঙা হতে পারে। তবে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রয়াল গেজেটে প্রকাশিত এক ডিক্রিতে
বলা হয়, নতুন করে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
রয়াল গেজেট সরকারপ্রধানের
বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানায়, বর্তমান সরকার সংখ্যালঘু প্রশাসনে পরিণত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ
রাজনৈতিক পরিস্থিতিও নানা সংকটে জর্জরিত। ফলে ধারাবাহিকতা, দক্ষতা ও স্থিতিশীলভাবে
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে যথাযথ সমাধান হিসেবে পার্লামেন্ট
ভেঙে নতুন নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী অনুতিনের
এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এলো, যখন যুদ্ধবিরতি চুক্তি উপেক্ষা করে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্তে
সংঘর্ষ চলছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জন নিহত এবং প্রায় ৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত
হয়েছেন বলে জানা গেছে।