মেয়েকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা!
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মুচারিয়া পাথার এলাকায় প্রতিবন্ধী মেয়ে সাজেদাকে (২৬) শ্বাসরোধে হত্যার পর মা শাহনাজ বেগম (৫৮) ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের কৃষক শামছুল আলমের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৫৮) দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন। অন্যদিকে প্রতিবন্ধী মেয়ে সাজেদাও অসুস্থ ছিলেন। এরই জেরে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে প্রথমে মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার করে পরে মা নিজে রান্না ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, শামসুল আলমের স্ত্রী শাহনাজ বেগম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। অন্য দিকে তাদের ২৬ বছরের একটি প্রতিবন্ধী মেয়েও অনেক অসুস্থ ছিল। মানসিক ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের চাপে তিনি এমন কাজ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, নিহত মা ও মেয়ের মরদেহ বুধবার দুপুরে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মা ও প্রতিবন্ধী মেয়ে দুইজনই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে এই আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপের্টের ওপর ভিত্তি করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।