যাদুকাটা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের দাবি ইজারাদারদের
সম্প্রতি সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীতে মব সৃষ্টি করে নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে যাদুকাটা নদীর ইজারাদারদের পক্ষ থেকে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ ও যাদুকাটা নদী থেকে বালু লুট বন্ধে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যাদুকাটা নদীর ইজারাদার নাছির মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে নাছির মিয়া বলেন, "আমরা যাদুকাটা নদীর দখল নেয়ার আমাদের সাথে মামলায় হেরে আমাদের প্রতিপক্ষ একটি দুষ্কৃতকারী তাহিরপুরের চিহ্নিত মহল রাতের এমনকি দিনের আলোতো মব সৃষ্টি করে যাদুকাটা নদী লাউড়ের গড় অংশের পাড় কেটে, ঘর বাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বালু লুট করে লুট হওয়া বালু বিক্রি শুরু করে। যেহেতু মব সৃষ্টি করা হয় তখন তাদের সাথে শত শত মানুষ থাকে। আমরা অনেকটা নিরুপায় হয়ে পড়ি। আমরা আমাদের ইজারাদের পক্ষ থেকে সাথে সাথে জেলা প্রশাসক বরাবর অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প দেয়ার দাবী জানাই। "
এরই মধ্যে আমরা চার থেকে পাঁচশ স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়েছি, পাশাপাশি নদীর দুইপাড়ে বাঁশের বেড়া দিয়েছি পাড় কেটে বালু লুট ঠেকাতে।
তাই আজকে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে আমরা যাদুকাটা পরিবেশ রক্ষা করে মহামান্য আদালত এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেধে দেয়া নিয়ম কানুন মেনেই সনাতনী পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করছি তা তুলে ধরলাম।
উল্লেখ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর যাদুকাটা এক ও যাদুকাটা দুই প্রতি বছর সরকারি ভাবে ইজারা দেয়া হয়। এবছর যাদুকাটা এক ও যাদুকাটা দুই একশো ৭ কোটি টাকায় ইজারা দেয়া হয়। আইনী জটিলতা থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের ৫ মাস পরে ইজারাদারদের বালু মহাল চিহ্নিত করে বুঝিয়ে দেয়া হয়।